অন্য খেলা অ্যাথলেটিক্সের আন্তর্জাতিক ইভেন্ট শুরু মার্চে

অ্যাথলেটিক্সের আন্তর্জাতিক ইভেন্ট শুরু মার্চে

19
0

ব্যস্ততা বাড়ছে দেশের অ্যাথলেটিক্সে। ঘরোয়া আসরের পর এবার স্প্রিন্টারদের কাছে চ্যালেঞ্জটা বৈশ্বিক আসরেও নিজেদের প্রমাণের। যার শুরুটা মার্চে হংকংয়ে অনুষ্ঠেয় এশিয়ান ইয়ুথ অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপের মধ্যে দিয়ে। এরপর এপ্রিলে আরো দুটো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নেবেন বাংলার অ্যাথলিট’রা। তবে এসব আসরকে পদক জয়ের জন্য নয় বরং ফেডারেশন কর্তারা দেখছেন আসন্ন সাউথ এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি হিসেবে।

৩ দশক পর এক আসরে ৬ রেকর্ড। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে ৪২তম জাতীয় অ্যাথলেটিক্স, যেন দু’হাত ভরে দিয়েছে স্প্রিন্টারদের। সঙ্গে ফিকে স্বপ্নকে করছে রঙ্গিণ।

এর কারণও আছে। এবারের আসরে দেখা গেছে তারুণ্যের জয়গান। ব্যতিক্রম শিরিন ছাড়া ইসমাঈল, জহির, হাসান মিয়া, সোহাগীদের সামনে ম্লান হয়ে গেছেন মিজবাহ, রউফ’রা।

তাইতো আসন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টগুলোতে তারাই পাচ্ছেন প্রাধান্য। হংকংয়ে ১৩ থেকে ১৫ই মার্চ অনুষ্ঠেয় ৩য় এশিয়ান ইয়ুথ টুর্নামেন্টে অংশ নিবেন ৪ অ্যাথলিট। এছাড়া কাতারের দোহায় ২৩তম এশিয়ান অ্যাথলেটিক্সে ৯টি ইভেন্টে, বাংলাদেশ থেকে অংশ নেবেন ৫ স্প্রিন্টার। ওয়ার্ল্ড ক্রস কান্ট্রি চ্যাম্পিয়নশিপে যে সংখ্যাটা ২ জন। আসরগুলোকে সামনে রেখে দ্রুতই শুরু হচ্ছে ক্যাম্প।

বাস্তবতার নিরিখে এসব আসরে বাংলাদেশের অ্যাথলিটদের পদক জয়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ, তবে আছে প্রাপ্তি। এইসব আসরের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আগস্টে অনুষ্ঠেয় এসএ গেমসের অ্যাথলেটিক্স ইভেন্টে একাধিক স্বর্ণজয়ের স্বপ্নে বিভোর ফেডারেশন কর্তারা।

এছাড়া এসএ গেমসের আগে অ্যাথলিটদের নেপালের ভিন্ন কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে ক্যাম্প করার পরিকল্পনা করছে ফেডারেশন। তবে শুধু পরিকল্পনাতে সীমাবদ্ধ না থেকে এসবের দ্রুত বাস্তবায়ন হলেই সুফল পাবে দেশের অ্যাথলেটিক্স।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here